ভোলার লালমোহনে বিরোধীয় জমির গাছ থেকে নারিকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মো. মাসুদ হাওলাদার (৪২) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ উভয় পক্ষের আরও ৯ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ১১টায় চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রেশমা (৩৫) তার স্বামী ফিরোজ (৪৫), তানভির (২৫) ও আক্তারকে (৩০) আটক করেছে।
পুলিশ জানায়, বুধবার (৬ মে) দুপুরে লালমোহন পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের মো. মাসুদ হাওলাদার বাড়ি বিরোধীয় জমির গাছ থেকে প্রতিবেশী রেশমা তার স্বামী ফিরোজসহ কয়েক নারিকেল পাড়তে যায়। এ সময় মাসুদের মেয়ে মাসুমা বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে রেশমা তার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে মাসুমার ওপর হামলা চালায়। এতে মাসুমার হাতে গুরুতর জখম হয়। বাধা দিতে আসলে মাসুমার ফুফু ফাতেমা ও প্রতিবেশী শাহিনকেও পিটিয়ে আহত করে।
খবর পেয়ে বাড়ির মালিক মাসুদ হাওলাদার ঘটনাস্থলে আসলে দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। গুরুতর আহত হন মাসুদ হাওলাদারসহ উভয় পক্ষের ৯ জন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
হাসপাতালে মাসুদ হাওলাদারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বরিশাল নেয়ার পথে ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে বুধবার রাত সাড়ে ১১ টায় মাসুদ মারা যান।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাসুদ জানান, নিহতের মেয়ে মাসুমা বাদী হয়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। তাদের বিরুদ্ধের আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ১১টায় চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রেশমা (৩৫) তার স্বামী ফিরোজ (৪৫), তানভির (২৫) ও আক্তারকে (৩০) আটক করেছে।
পুলিশ জানায়, বুধবার (৬ মে) দুপুরে লালমোহন পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের মো. মাসুদ হাওলাদার বাড়ি বিরোধীয় জমির গাছ থেকে প্রতিবেশী রেশমা তার স্বামী ফিরোজসহ কয়েক নারিকেল পাড়তে যায়। এ সময় মাসুদের মেয়ে মাসুমা বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে রেশমা তার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে মাসুমার ওপর হামলা চালায়। এতে মাসুমার হাতে গুরুতর জখম হয়। বাধা দিতে আসলে মাসুমার ফুফু ফাতেমা ও প্রতিবেশী শাহিনকেও পিটিয়ে আহত করে।
খবর পেয়ে বাড়ির মালিক মাসুদ হাওলাদার ঘটনাস্থলে আসলে দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। গুরুতর আহত হন মাসুদ হাওলাদারসহ উভয় পক্ষের ৯ জন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
হাসপাতালে মাসুদ হাওলাদারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বরিশাল নেয়ার পথে ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে বুধবার রাত সাড়ে ১১ টায় মাসুদ মারা যান।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাসুদ জানান, নিহতের মেয়ে মাসুমা বাদী হয়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। তাদের বিরুদ্ধের আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
অনলাইন ডেস্ক